শুক্রবার | ৩১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | সকাল ৬:৫৬
শিরোনাম :
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উন্মাদনায় টি.কে. গ্রুপের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অনুষ্ঠিতব্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ প্যাকেজিং প্রদর্শনী WEPSEA 2026-এ অংশগ্রহণের আহ্বান জানাল বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্যাকেজিং (BIP) ইন্টারন্যাশনাল প্যাকেজিং প্রেস অর্গানাইজেশন (IPPO)-এর পূর্ণ সদস্য হলেন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আব্দুল হাকিম আখ থেকে তৈরি হচ্ছে পরিবেশবান্ধব প্লাস্টিক বোতল জার্মানির ডুসেলডর্ফে interpack 2026 চলাকালে অনুষ্ঠিত হলো WPO–এর ১১৫তম বোর্ড মিটিং International Packaging Press Organization–এর ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন Interpack 2026–এ জার্মানিতে অনুষ্ঠিতব্য ১১৫তম WPO বোর্ড মিটিংয়ে অংশ নিতে যাচ্ছেন BIP সভাপতি মোশাররফ হোসেন ঢাকায় তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক প্যাকেজিং প্রদর্শনী শুরু ৭ মে ঢাকায় শুরু হলো ৯ম Food Bangladesh International Expo 2026 বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্যাকেজিং (BIP) কর্তৃক প্যাকেজিং শিল্পে দক্ষ জনশক্তি উন্নয়ন বিষয়ক সেমিনার আয়োজন
বাংলাদেশ কি প্যাকেজিং শিল্পে স্বয়ংসম্পূর্ণ?

বাংলাদেশ কি প্যাকেজিং শিল্পে স্বয়ংসম্পূর্ণ?

বাংলাদেশ বর্তমানে প্যাকেজিং শিল্পে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ। প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও ওষুধসহ বিভিন্ন পণ্যের আন্তর্জাতিক মানের প্যাকেজিং এখন দেশেই প্রস্তুত হচ্ছে, যা রপ্তানি বাণিজ্যেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

বাংলাদেশ ফ্লেক্সিবল প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে মাসে প্রায় ৬৫০০ টন প্যাকেজিং পণ্যের চাহিদা রয়েছে, যার বাজারমূল্য ২০০ কোটি টাকা। দেশে প্রায় একশটি কারখানা এই চাহিদা পূরণ করছে। অন্যদিকে, রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য আরও সাড়ে ছয়শো প্যাকেজিং কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

কারখানাগুলোর কর্মীরা বলছেন, প্যাকেজিং প্রক্রিয়া প্রায় সম্পূর্ণভাবে অত্যাধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর। আন্তর্জাতিক মানের প্যাকেজিং সামগ্রী এখন দেশেই তৈরি হচ্ছে। একটি কর্মী উল্লেখ করেন, “ফুড প্যাকেজিংয়ের ক্ষেত্রে খাবারের গুণাগুণ ঠিক রেখে প্যাকেজিংয়ের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হয়।” আরেকজন কর্মী বলেন, “প্রত্যেক খাবারের গুণাগুণ বজায় রাখতে বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়।”

এ খাতের উদ্যোক্তারা জানান, দেশের প্যাকেজিংয়ের চাহিদার প্রায় শতভাগই তারা পূরণ করছেন। বাংলাদেশ ফ্লেক্সিবল প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশনের সভাপতি সাফিউস সামী আলমগীর বলেন, “প্যাকেজিং একটি বড় শিল্প, যেখানে প্রযুক্তিগতভাবে অনেক সাপোর্ট দরকার, যা বাংলাদেশ এখন সম্পূর্ণরূপে প্রদান করতে সক্ষম।”

রপ্তানি বাণিজ্যে তৈরি পোশাকসহ প্রায় সব ধরনের পণ্যের সাথে প্যাকেজিং সামগ্রীও অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে। এতে রপ্তানি আয়েও এ খাতের অবদান কম নয়। তবে প্যাকেজিং এখনো আলাদা খাত হিসেবে স্বীকৃতি পায়নি, ফলে প্রণোদনা বঞ্চিত হচ্ছেন উদ্যোক্তারা, যা মূলত পণ্য রপ্তানিকারকদের পকেটে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসরিজ এন্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন মতি উল্লেখ করেন, “আমরা গার্মেন্টসের মাধ্যমে সাড়ে সাত বিলিয়ন ডলার রপ্তানি করছি, যা গার্মেন্টস রপ্তানির ১৫ শতাংশ। আমাদের ব্যাকওয়ার্ড না বলে সরাসরি রপ্তানিকারক সেক্টর হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি।”

পণ্যের সাথে যুক্ত হয়ে কত ডলারের প্যাকেজিং সামগ্রী রপ্তানি হচ্ছে, তার সুনির্দিষ্ট হিসাব নেই কারো কাছেই। তবে সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এর পরিমাণ চার বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে।

শেয়ার করুন





Translate Site »