সোমবার | ১১ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | রাত ৮:৫১
শিরোনাম :
জার্মানিতে অনুষ্ঠিতব্য ১১৫তম WPO বোর্ড মিটিংয়ে অংশ নিতে যাচ্ছেন BIP সভাপতি মোশাররফ হোসেন ঢাকায় তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক প্যাকেজিং প্রদর্শনী শুরু ৭ মে ঢাকায় শুরু হলো ৯ম Food Bangladesh International Expo 2026 বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্যাকেজিং (BIP) কর্তৃক প্যাকেজিং শিল্পে দক্ষ জনশক্তি উন্নয়ন বিষয়ক সেমিনার আয়োজন ProPak Asia 2026-এ নতুন মাইলফলক: বাংলাদেশ থেকে অফিসিয়াল ডেলিগেশন ও প্রোমোশন পার্টনার BIP শেনঝেনে WEPACK 2026-এ বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল উপস্থিতি: অফিসিয়াল ডেলিগেশন ও প্রমোশন পার্টনার হিসেবে অংশ নিল BIP বাংলাদেশ থেকে প্রথমবার WEPACK 2026–এর ডেলিগেশন ও প্রমোশন পার্টনার হিসেবে মনোনীত হলো BIP বায়োডিগ্রেডেবল শপিং ব্যাগ: সময়ের দাবি ও পরিবেশ রক্ষার কার্যকর সমাধান প্রিন্টিং শিল্পে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করছে ENULEC-এর ESA প্রযুক্তি সম্পাদকীয়
জাপানি বিজ্ঞানীদের নতুন আবিষ্কার: পানিতে মিশে যাবে পরিবেশবান্ধব প্লাস্টিক

জাপানি বিজ্ঞানীদের নতুন আবিষ্কার: পানিতে মিশে যাবে পরিবেশবান্ধব প্লাস্টিক

জাপানি বিজ্ঞানীদের নতুন আবিষ্কার: পানিতে মিশে যাবে পরিবেশবান্ধব প্লাস্টিক

প্লাস্টিক দূষণ বর্তমান বিশ্বের অন্যতম বড় পরিবেশগত সমস্যা। প্রতি বছর মিলিয়ন মিলিয়ন টন প্লাস্টিক সমুদ্রে মিশে গিয়ে পানির জীববৈচিত্র্যের মারাত্মক ক্ষতি করছে। তবে সম্প্রতি জাপানের রিকেন গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা এমন একটি প্লাস্টিক উদ্ভাবন করেছেন, যা সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব এবং মাটি বা সমুদ্রের পানিতে দ্রুত মিশে যেতে সক্ষম।

 

নতুন প্লাস্টিকের বৈশিষ্ট্য

এই নতুন ধরণের প্লাস্টিকটি প্রচলিত প্লাস্টিকের মতোই শক্তিশালী, তবে বিশেষ রাসায়নিক গঠনের কারণে এটি খুব সহজেই ভেঙে যেতে পারে। গবেষকদের মতে, সমুদ্রের লবণ পানিতে এটি কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভাঙতে শুরু করে, আর মাটিতে ফেলা হলে ১০ দিনের মধ্যেই এটি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। আরও চমকপ্রদ ব্যাপার হলো, এটি ভেঙে যাওয়ার পর মাটিতে সারের মতো উপকারী রাসায়নিক সরবরাহ করে, যা মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

 

প্লাস্টিক দূষণ মোকাবেলায় বড় পদক্ষেপ

প্রচলিত প্লাস্টিক একবার পরিবেশে প্রবেশ করলে তা শত শত বছর পর্যন্ত অবিকৃত থাকতে পারে, যা জলজ প্রাণী ও মানবস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। বিশেষ করে, প্লাস্টিক ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে মাইক্রোপ্লাস্টিকে পরিণত হলে তা খাদ্যচক্রের মাধ্যমে মানবদেহেও প্রবেশ করতে পারে।

বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরেই এমন একটি বিকল্পের খোঁজ করছিলেন, যা পরিবেশে দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হবে এবং কোনো ক্ষতিকর অবশিষ্টাংশ রাখবে না। জাপানের গবেষকরা দাবি করছেন, তাদের উদ্ভাবিত এই প্লাস্টিকই হতে পারে সেই কাঙ্ক্ষিত সমাধান।

 

বিশ্বব্যাপী ব্যবহার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

নতুন এই প্লাস্টিকের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হলে তা খাদ্য প্যাকেজিং, পানীয় বোতল, ও অন্যান্য একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। এটি শুধু পরিবেশবান্ধবই নয়, বরং আমাদের বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিশ্বের অনেক দেশ ইতোমধ্যে প্লাস্টিক বর্জন ও পুনঃব্যবহারের উপর জোর দিচ্ছে। নতুন এই প্রযুক্তির মাধ্যমে প্লাস্টিক দূষণের বিরুদ্ধে লড়াই আরও কার্যকর হতে পারে বলে আশাবাদী গবেষকরা।

শেয়ার করুন





Translate Site »